ভারতের মালউন মুশরিকরা জাতিগতভাবে চাটুকার ও বিশ্বাসঘাতক। নিজের স্বার্থ উদ্ধারে আশ্বাস আর প্রতিশ্রুতি দিতেও পটু তারা। আর তাই দেখা যায়- বঙ্গবন্ধু থেকে শুরু করে জিয়া-এরশাদ-খালেদা পেরিয়ে আজকের হাসিনা পর্যন্ত যে সরকারই ভারতীয় মালউনদের সাথে যে চুক্তিই করুক না কেন এর কোনোটিই মালউন মুশরিকরা রাক্ষা করেনি।
Saturday, March 8, 2014
Friday, March 7, 2014
রুশ আগ্রাসনে শঙ্কিত ক্রিমিয়ার তাতারী মুসলিমরা
ইউক্রেনের স্বায়ত্তশাসিত এবং কার্যত রাশিয়া নিয়ন্ত্রিত ক্রিমিয়া উপদ্বীপের দিকে এখন বিশ্ববাসীর দৃষ্টি। অনেকের মনেই আশঙ্কা- ক্রিমিয়া কী বিশ্বের শক্তিধর রাষ্ট্রগুলোর একটি যুদ্ধক্ষেত্রে পরিণত হবে? এসব জল্পনা-কল্পনা ও শঙ্কার মাঝেই আবার আলোচনায় উঠে এসেছে ক্রিমিয়ার মুসলমানদের দুর্দশার ইতিবৃত্ত। বস্তুত রাশিয়ার জবরদখলে যাওয়ার আশঙ্কা নিয়ে এখন কঠিন সময় পার করছেন ক্রিমিয়ার মুসলমানরা।
Thursday, March 6, 2014
হায়!৯৭ ভাগ জনগোষ্ঠী মুসলমানের বাংলাদেশে মুসলমানরাই কত নিদারুন অসহায় ও নিগৃহীত!! মুসলিম বিবেক জেগে উঠবে কি?
‘সংখ্যালঘু’ ‘সংখ্যালঘু’ বলে
যে ইসলামবিদ্বেষী
পত্রিকাটি গলা
ফাটায়, সংখ্যালঘুর
উপর কল্পিত
হামলার বিবরণ
যে পত্রিকাটি
ঢেলে সাজায়,
সংখ্যালঘুর গায়ের
উপর আঁচর
লাগলে যে
পত্রিকাটি সংখ্যালঘুর
উপর সাম্প্রদায়িক
হানাহানির ঢালাও
খবর প্রকাশ
করে; সে
পত্রিকাটিও নির্মম
ও নিষ্ঠুর
এবং অকাট্য
সত্যের প্রেক্ষিতে
দিনাজপুরের কর্ণাইয়ে
মুসলমানদের উপর
সংখ্যালঘু হিন্দু
এবং হিন্দুতোষণকারী আ’লীগ সরকারের প্রশাসনের
যুগপৎ হামলার
বিষয়টি সংক্ষেপে
হলেও প্রকাশ
করতে বাধ্য
হয়েছে।
আত্মশুদ্ধির দুটি কথা
১. অবাধ্য
নফসকে সাজা দেয়ার
উপায়:
একবার
আমিরুল মু’মিনীন খলীফাতুল
মুসলিমীন হযরত
উমর ইবনুল
খাত্তাব আলাইহিস
সালাম তিনি
কোমরে পানির
মশক বহন
করে মুসলমানগণ
উনাদেরকে পানি
পান করাচ্ছিলেন।
এক ব্যক্তি
প্রশ্ন করলেন,
এত লোক
থাকতে আপনার
এ কাজ
করার কারণ
কী? তখন
তিনি বললেন,
কয়েকজন লোক
এসেছিলেন, তারা
আমার উচ্ছ্বসিত
প্রশংসা করেছিলেন।
এতে আমার
অন্তর খুশি
হয়েছিল। তাই
আমি এ
কাজ করে
আমার নফসকে
শিক্ষা দিচ্ছি।
Wednesday, March 5, 2014
পবিত্র ইসলামী তর্জ-তরীক্বা পালনেই মহিলাদের প্রকৃত মুক্তি নিহিত ॥ আর প্রকৃত পবিত্র দ্বীন ইসলাম পালনে উম্মুল উমাম হযরত আম্মা হুযূর ক্বিবলা আলাইহাস সালাম উনার মুবারক ছোহবত অত্যাবশ্যক
আমরা মুসলমান। মুসলিম দেশ হিসেবে আমাদের এই দেশটা পৃথিবীর কাছে অতি পরিচিত। আমরা গর্ব করে বলি- ‘আমরা মুসলমান’ এবং ‘আমরা বাংলাদেশী’। আজকের প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার মধ্যেও দেশে প্রতিবছর পালিত হচ্ছে, কথিত ‘আন্তর্জাতিক নারী দিবস’। এ উপলক্ষে দেশের এবং বাইরের তথাকথিত বরেণ্য ব্যক্তিরা যখন নারীবাদের এবং নারীমুক্তি আন্দোলনের সাফাই গায়; তখনই মনে ভাবনার উদয় হয়- ‘নারীমুক্তি’ নিয়ে আমাদেরও কিছু বলার আছে। প্রথমেই বলেছি- ‘আমরা মুসলমান’ কিন্তু এই মুসলমানদের মধ্যে শুধু পুরুষ পড়ে না, মহিলারাও পড়ে অর্থাৎ ‘মুসলিমা মহিলারাও এর অন্তভুক্ত’। আজকের প্রেক্ষাপটে নারীমুক্তির যে চিত্র চিত্রায়িত হয় তা নিদারুণ বিভীষিকাময়, ভয়াল আর্তনাদের এবং পাপ-পঙ্কিলতায় ডুবে থাকা এক রূঢ় সত্য। ‘আমরা মুসলমান’। আমাদের সংস্কৃতি বা Culture হবে পবিত্র ইসলামী নিয়ম-নীতি, তর্জ-তরীক্বা অনুযায়ী।
Monday, March 3, 2014
টাইমস অব আসাম-এর প্রতিবেদন: ‘ভারত বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব চায় না’
দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার রায়ের মাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বকে ছোট করা হয়েছে। কারণ বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা হোক ভারত তা চায় না। এই রায়ের মাধ্যমে মনে হয়েছে বাংলাদেশ যেন ভারতের কাছে একটি বন্ধকী রাজ্য (মর্টগেজ স্টেট)।- ভারতের বহুল প্রচারিত ইংরেজি দৈনিক ‘টাইমস অব আসাম’-এর অনলাইন সংস্করণে বিশ্লেষণধর্মী একটি প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়েছে। দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার রায়ের উপর প্রতিবেদনটি লিখেছেন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রখ্যাত সাংবাদিক ও গবেষক জয়নাল আবেদিন।
‘টাইমস অব আসাম’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়- “২০০৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় ১০টি ট্রাক ভর্তি বিপুল অস্ত্রের চালান আটক করা হয়। দীর্ঘ ১০ বছর পর ২০১৪ সালের ৩১ জানুয়ারি এ মামলার রায় হয়। দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার এ রায় নিয়ে স্বাধীন বিশ্লেষকদের পাশাপাশি রাজনীতি, আইন-বিচার, সামরিক ও গোয়েন্দা বিশ্লেষকরাও শঙ্কিত।
‘টাইমস অব আসাম’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়- “২০০৪ সালে চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় ১০টি ট্রাক ভর্তি বিপুল অস্ত্রের চালান আটক করা হয়। দীর্ঘ ১০ বছর পর ২০১৪ সালের ৩১ জানুয়ারি এ মামলার রায় হয়। দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার এ রায় নিয়ে স্বাধীন বিশ্লেষকদের পাশাপাশি রাজনীতি, আইন-বিচার, সামরিক ও গোয়েন্দা বিশ্লেষকরাও শঙ্কিত।

