Wednesday, September 3, 2014

সউদী ওহাবীরা যে আসলেই ইহুদী তার জাজ্বল্য প্রমাণ ॥ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওযা মুবারক নিশ্চহ্ন করে দেয়ার উদ্যোগ!

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওযা শরীফ পবিত্র মসজিদে নববী শরীফ হতে সরিয়ে ফেলার ষড়যন্ত্র চলছে বলে খবর পাওয়া গেছে। সউদী আরবের ওহাবী সরকারের মদদপুষ্ট একটি প্রভাবশালী গোঁড়া ওহাবী চক্র এ সংক্রান্ত একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে বলে ইরানের রেডিও তেহরান এবং ব্রিটিশ পত্রিকা ‘দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট’ ও ডেইলি মেইল খবর দিয়েছে।
অর্থাৎ নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওযা শরীফ গুঁড়িয়ে দিয়ে উনার জিসিম মুবারক অন্যত্র (অজ্ঞাত স্থানে) সরিয়ে নেয়ার এক ধৃষ্ঠতাপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে সউদী আরবের ওহাবী-সালাফীরা।

Tuesday, September 2, 2014

কী স্পর্ধা!!! নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওজা মোবারক গুঁড়িয়ে দিতে চাচ্ছে সউদী ওহাবী সরকার!!!!!

নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওজা মোবারক গুঁড়িয়ে দিয়ে উনার জিসিম মুবারক অন্যত্র (অজ্ঞাত স্থানে) সরিয়ে নেয়ার এক ধৃষ্ঠতাপূর্ণ উদ্যোগ নিয়েছে সউদী আরবের ওহাবী সরকার।
মুসলমানদের নিকট পবিত্র কা’বা শরীফ উনার পরই দ্বিতীয় পবিত্রতম স্থান হচ্ছে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র রওজা মোবারক।

Monday, September 1, 2014

পিঁপড়া তাড়ানোর কৌশলী উপায়


বাড়িতে পিঁপড়া প্রায় আমাদের সবারই একটা উটকো সমস্যা। ঘরদোর যতই পরিষ্কার করে রাখা হোক না কেন, পিঁপড়ার হাত থেকে রেহাই পাওয়া খুবই জটিল। বিশেষ করে রান্নাঘর বা খাবার ঘর থেকে নাছোড় পিঁপড়া যেতেই চায় না।
বাজারে পিঁপড়া মারার নানারকম ওযুধ কিনতে পাওয়া যায়। তবে এগুলোর বেশিরভাগেই ক্ষতিকর রাসায়নিক পদার্থ থাকায় তা পিঁপড়ার পাশাপাশি মানুষেরও, বিশেষ করে ছোট বাচ্চাদের শরীরের ক্ষতি করে। তাই এই সব এড়িয়ে নিরাপদ উপায়ের সন্ধান সবারই । এখানে এমনই কয়েকটি পদ্ধতির বিবরণ দেয়া হলো, যাতে বিষাক্ত রাসায়নিকের ব্যবহার ছাড়াই বাড়ি পিঁপড়ামুক্ত থাকে।

Friday, August 8, 2014

আহ! যদিও পানি একটুখানি; তবুও বেহিসাব নেকীর হাতছানি



আধুনিককালের যান্ত্রিক সমাজ ব্যবস্থায় নিজেদের পরকালীন আমলনামাকে সমৃদ্ধ করতে খুব বেশি কিছু করার সুযোগ আমাদের সবার হয়ে উঠে না। আত্মকেন্দ্রিক ও ভোগবাদী মানসিকতার কারণে এমনটা হচ্ছে। সবসময় বড় অঙ্কের দান-খয়রাত করাও আমাদের সবার জন্য সম্ভব হয় না। অথচ সার্বজনীন, সুন্দর ও মানবতার দ্বীন- পবিত্র ‘ইসলাম’ সবার জন্য খুব সহজেই নেক্কার হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছে। জীবনযাপনে মানুষের যা যা প্রয়োজন, পবিত্র দ্বীন ইসলাম সেসব কিছুর মধ্যেই আমাদের জন্য নেকী হাছিলের ব্যবস্থা করেছে। পরকালীন নেকী-পুণ্যের হিসাবের পাশাপাশি এসবের মধ্যে ইহজগতে নিজেদের জনসেবা, জনকল্যাণ ও মানবিকতা চর্চারও নানান উপায় লুকানো রয়েছে।

Wednesday, August 6, 2014

সম্মানিত বানাতু রসূলিল্লাহ সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম উনাকে মুহব্বত করার বেমেছাল ফযীলত

সাইয়্যিদাতু নিসায়িল আলামীন, সম্মানিত বানাতু রসূলিল্লাহ ছল্লল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম তিনি হচ্ছেন সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত হযরত আহলু বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদের অন্তর্ভুক্ত। তাই উনার শান-মান, ফাযায়িল-ফযীলত, খুছূছিয়াত মুবারক বেমেছাল। উনার প্রতি মুহব্বত হচ্ছে মহান আল্লাহ পাক উনার এবং উনার হাবীব নূরে মুজাস্সাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাদের হাক্বীক্বী সন্তুষ্টি। যাঁরা উনার মুহব্বত মুবারক-এ ইন্তেকাল করবেন উনারা পরকালে চূড়ান্ত কামিয়াবী হাছিল করবেন।

Tuesday, July 29, 2014

‘রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ’


বছর ঘুরে আবার এসেছে খুশির ঈদ। এক মাস সিয়াম সাধনার পর খুশির ঈদ উদযাপন করছে বাংলাদেশের মুসলমানরা। বাংলাদেশের প্রতিটি মুসলমানের হৃদয়ে অনুরণিত হচ্ছে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সেই কালজয়ী ক্বাছীদা ‘রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ’।  ঘরে-ঘরে জনে-জনে চলছে ঈদের আনন্দ বারতা। প্রভাত বেলা হতেই ঈদের কোলাকুলিতে ঘোষিত হচ্ছে সৌহার্দ্য আর ভ্রাতৃত্বের মহিমা।  সম্প্রীতির এই আনন্দধারায় সবাইকে জানাই ঈদ মোবারক।

Monday, July 28, 2014

ঈদ মুবারোক! ঈদ মুবারোক!! ঈদ মুবারোক!!! ঈদ মুবারোক!!!!



রহমত, মাগফিরাত, নাজাতের পবিত্র মাস রমজানের শেষের নতুন বার্তা নিয়ে এসেছে ঈদের চাঁদ। চলছে ঈদ উৎসবর আমেজ চরদিকে। (২৮ জুলাই ২০১৪) সোমবার দিবাগত সন্ধ্যায় চাঁদ দেখা গেলে মঙ্গলবার (২৯ জুলাই ২০১৪) মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদ পালন করবে বাংলাদেশের মুসলমানরা। অর্থাৎ আজ সন্ধ্যায় শাওয়ালের একফালি বাঁকা সরু চাঁদের দেখা পেলে মঙ্গলবার ধরা দেবে পবিত্র ঈদুল ফিতর। তবে চাঁদ দেখা না গেলে মঙ্গলবার রমজান মাসের ৩০ দিন পূর্ণ হবে, সেক্ষেত্রে বুধবার সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও আনন্দ-উৎসবের মধ্যদিয়ে ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে।