সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ হলো- সকলের জন্যই রহমত, বরকত ও সাকীনা হাছিল করার দিন। এ সুমহান দিনে অনেক
রহমতপূর্ণ, বরকতপূর্ণ, নিয়ামতপূর্ণ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। পাশাপাশি এদিনটি
হচ্ছে- সাইয়্যিদুশ শুহাদা, শুহাদায়ে কারবালা, ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র শাহাদাতী
শান মুবারক প্রকাশ দিবস। আর তাই এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে গত জুমুয়াবার দিনে ও দিবাগত
রাতে ভোলাহাটে বিভিন্ন স্থানে আলোচনা মাহফিল করা হয়। এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা হয়।
Monday, October 26, 2015
Friday, October 16, 2015
কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তিগত ৬৪টি সংক্ষিপ্ত প্রয়োজনীয় শব্দের পুর্ন রুপ
১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity.২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer Protocol.৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper
Text Transfer Protocol Secure.৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator.৫। IP এর পূর্ণরূপ—
Internet Protocol৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information Resource Under Seized.৭। SIM এর পূর্ণরূপ —
Subscriber Identity Module.৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation.৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile Communication.১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code
Divison Multiple Access.
মুবারক হো ১ ও ২ মুহররমুল হারাম শরীফ! আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ভোলাহাট শাখার উদ্যোগে- ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা’য় বিশেষ মাহফিল অনুষ্ঠিত
আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যবীহুল্লাহ, খইরুল বাশার, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আ’যম, আবুল বাশার, ছাহিবুল জান্নাহ, ছাহিবু নূরিম মুজাসসাম, সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন সুমহান মহাপবিত্র ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ।
এবং খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক পরিচলানার দায়িত্ব গ্রহণের সুমহান দিন হলো ১লা মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
গত ১ মুহররমুল হারাম শরীফ (১৪৩৭হি.) (১৫ অক্টোবর-২০১৫) বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বাদ ইশা আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ভোলাহাট শাখার উদ্যোগে এই মহাসম্মানিত দিবসগুলো উপলক্ষে উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক আলোচনা করে নিয়ামত-বরকত হাছিল করার লক্ষ্যে মাহফিল করে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ ও পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা হয়। আল হামদুলিল্লাহ!
Wednesday, September 2, 2015
প্রসঙ্গ: পবিত্র কুরবানীর পশু জবাইয়ের স্থান নির্দিষ্টকরণ ॥ ৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত এদেশে মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে খোদায়ী গযবে পড়ার বিপদ আছে
এ বছর (অর্থাৎ ১৪৩৬ হিজরী) সরকার এক নতুন আইন করেছে; বলছে- সরকার কর্তৃক নির্ধারিত
স্থানে কুরবানী দিতে হবে। ঢাকা শহরে ৪৯৩টি এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ২০টি স্পট
নির্ধারণ করে সিটি কর্পোরেশন বলেছে, ওই সব স্পটে কুরবানী না দিলে তারা কুরবানীদাতাদের বিরুদ্ধে আইনানুনগ
ব্যবস্থা নিবে। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ সরকার কিংবা সিটি কর্পোরেশন কি একবার ভেবে দেখেছে, আদৌ এ ধরনের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে
মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার সংরক্ষিত হবে কিনা? কিংবা এ ধরনের একটি সিস্টেম বাস্তবেই
সম্ভব কিনা? কিংবা সরকার নিজেই এর ধকল সামলাতে পারবে কিনা?
আমার মনে হয়- সরকারের যে মহল এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারা কখনোই কুরবানীর মতো বিষয়
সম্পর্কে ফিল্ড পর্যায়ে ওয়াকিবহাল নয় এবং পুরোপুরি চিন্তাও করেনি।
Sunday, August 23, 2015
রাজাকারের ছেলে কথিত চাকমারাজা দেবাশীষ রায়ের পরিচিত ও পার্বত্যাঞ্চল নিয়ে তার ষড়যন্ত্র
=================
কথিত রাজা দেবাশীষ
রায় সে বামপন্থী ও কথিত সুশীল (চুচীল) সমাজের কাছে একজন সজ্জন ব্যক্তি হিসেবে
পরিচিত। অর্থাৎ বামপন্থী ও কথিত সুশীল (চুচীল) সমাজের লোকেরা তাকে সজ্জন হিসেবে ঢোল
পিটিয়ে থাকে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে সে একজন বিচ্ছিন্নতাবাদী ও রাষ্ট্রদ্রোহী
ব্যক্তি। তার পিতা ত্রিদিব রায় ছিল পাকিস্তানের দালাল- রাজাকার। এমনকি তার পিতা
স্বাধীনতার পর এদেশে থাকেনি। সে পশ্চিম পাকিস্তানের তথা পাকিস্তানে চলে যায়। এবং
সে সেখানকার মন্ত্রীও ছিল। আর সেই দেশদ্রোহী রাজাকারের ছেলে নাকি সজ্জন
ব্যক্তি!!!!!
Sunday, August 16, 2015
মাদরাসা শিক্ষার প্রতি বর্তমান মুসলমানদের অনীহা ও ইংরেজিভিত্তিক শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য
মধ্যপ্রাচ্যের
দেশগুলোতে যেসব হিফয কিংবা ক্বারীয়ানা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়, সেসবে বাংলাদেশের মাদরাসা ছাত্ররাই সবসময় প্রথম-দ্বিতীয় স্থান
লাভ করে থাকে। বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং ইন্টারনেটের সংবাদমাধ্যমে এ সম্পর্কিত খবর
নিয়মিত দেখা যায়। এদেশের মাদরাসা শিক্ষার্থীদের মাতৃভাষা হলো বাংলা, তারপরও তারা মধ্যপ্রাচ্যের আরবীভাষী প্রতিযোগীদের হারিয়ে পুরস্কার
লাভ করে।
বিপরীতে ইংরেজি
মাধ্যমে যারা শিক্ষালাভ করে, তারা স্কুল-কলেজে
দশ-বারো বছর ইংরেজি পড়েও কিন্তু ইংরেজিতে স্বচ্ছন্দ হতে পারে না। ইংরেজিতে ঠিকমতো লেখা
কিংবা কথা বলাটাও এদেশের অধিকাংশ স্কুল-কলেজ পড়–য়ার পক্ষেই সম্ভব হয় না।
