খুঁজলে এমন অনেক মুসলমান পাওয়া যায়, যারা বলে- ‘ব্রিটিশরা না আসলে আমরা এখনো অন্ধকারে পড়ে রইতাম। আধুনিকতার ছোঁয়াও পেতাম না। তারা আমাদের অনেক কিছু করে দিয়ে গেছে।’ ইত্যাদি ইত্যাদি। নাউযুবিল্লাহ! এখনো বাল্যবিবাহের কথা বললে অনেকের গা জ্বলে যায়। এরা কি ব্রিটিশদের গোলামে পরিণত হয়নি? মূলত, এরা হীনম্মন্যতা রোগে আক্রান্ত মানসিক রোগী বা মাথার রোগী; যাদের গোবর মাথা কাফিরের প্রশংসা বা গুণকীর্তন বা জয়গান ছাড়া অন্যকিছু ভাবতে পারে না।
Wednesday, February 15, 2017
Tuesday, January 10, 2017
Wednesday, January 4, 2017
বিনা খরচে বিদায় করুন এলার্জি
মানবজীবনে
এলার্জি কতোটা ভয়ঙ্কর তা যিনি ভুক্তভোগী শুধু তিনিই জানেন। এর উপশমের জন্য কতোজন
কতো কিছুই না করেন। তবুও সুরাহা হয় না। কতো সুস্বাদু খাবার চোখের সামনে দেখে
জিহ্বাতে পানি আসলেও এলার্জি ভয়ে তা আর খাওয়া হয় না। এজন্য বছরের পর বছর
ভুক্তভোগীরা এসব খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকেন। ভোগেন পুষ্টিহীনতায়। তবে এর জন্য আর
চিন্তা না। এলার্জি আক্রান্ত ব্যক্তিরা সব চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলুন। এবার বিনা
খরচে এলার্জিকে বিদায় জানান আজীবনের জন্য।
Monday, December 19, 2016
আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস ও বাংলাদেশে আরবী চর্চা
১৮ ডিসেম্বর পালিত হলো আন্তর্জাতিক
আরবী ভাষা দিবস। ১৯৭৩ সালের এদিনে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘের ২৮তম অধিবেশনে ৩১৯০নং সিদ্ধান্ত
মোতাবেক আরবীকে জাতিসংঘের অন্যতম দাপ্তরিক ভাষা হিসেবে গ্রহণ করা হয়। পরবর্তীতে ২০১২
সালে অনুষ্ঠিত ইউনেস্কোর ১৯০তম অধিবেশনে ১৮ ডিসেম্বরকে আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবস
হিসেবে ঘোষণা করা হয়। সেই থেকে শুরু হয় আন্তর্জাতিক আরবী ভাষা দিবসের পথ চলা। আরব বিশ্বে
দিবসটি যথেষ্ট গুরুত্বের সঙ্গে পালিত হলেও শুধুমাত্র মূলধারার মিডিয়ার নির্লিপ্ততার
কারণে বাংলাদেশে দিবসটি তেমন কোনো সাড়া জাগাতে পারেনি। অথচ আরবী ভাষার সঙ্গে রয়েছে
এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগোষ্ঠীর আত্মার সম্পর্ক। এদেশের সর্ব স্তরের জনসাধারণ আরবী ভাষাকে
পরম শ্রদ্ধা করেন,
মন থেকে ভক্তি করেন ও হৃদয় দিয়ে ভালোবাসেন। কারণ কুরআন হাদীছের
ভাষা আরবী, আখিরী রসূল, নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া
সাল্লাম উনার ভাষা আরবী, জান্নাতের ভাষা আরবী। পবিত্র হাদীছ শরীফে আরবী ভাষাকে
মুহব্বত করতে জোর তাগিদ দেয়া হয়েছে।
শুধুমাত্র কাফিররাই মৌলবাদী; মুসলমানরা নয়
তাবৎ
বিধর্মীরা শাব্দিক অর্থে মৌলবাদী। কোনো মুসলমানই কস্মিনকালেও মৌলবাদী নয়।
মৌলবাদীরা- গোঁড়া, অন্ধ, অসভ্য, বর্বর, হিংস্র, উগ্র, আগ্রাসী, যালিম, কুসংস্কারাচ্ছন্ন হয়। যেমন মৌলবাদী খ্রিস্টানরা তথা
আগ্রাসী ক্রুসেডার খ্রিস্টানরা মুসলিম বিশ্বে তান্ডব চালিয়েছে,
এখনো চালিয়ে
যাচ্ছে। মৌলবাদীরা ভয়ঙ্কর প্রকৃতির সন্ত্রাসী। মৌলবাদী কাফির-বেদ্বীনদের
(ইহুদী-খ্রিস্টান, হিন্দু-বৌদ্ধ, মজুসীসহ তাবত বিধর্মী) ভয়াবহ আগ্রাসন ও
যুলুমের ক্ষত মুসলিম বিশ্বের সর্বত্র দেখা যাচ্ছে। তারপরও একশ্রেণীর জাহিল মুসলমান
নিজেদের মৌলবাদী (মূল থেকে উৎসারিত) বলে দাবি করতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করে। অথচ কোনো
মুসলমান কখনোই মৌলবাদী নয় এবং মৌলবাদীরা কখনোই মুসলমান নয়। কেননা শুধুমাত্র
মুসলমানরাই আলোকিত ও সভ্য; মৌলবাদীরা নয়।
Sunday, December 18, 2016
ভোলাহাটের ঘরে ঘরে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বরকতপূর্ণ মাহফিল অনুষ্ঠিত
সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে ভোলাহাটে বিভিন্ন স্থানে ও বাড়িতে বাড়িতে প্রতিদিন বরকতপূর্ণ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং চলমান রয়েছে। আখিরী নবী ও রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র আগমন দিবস পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফকে কেন্দ্র করে ভোলাহাটের ঘরে ঘরে খুশি প্রকাশার্থে প্রতিদিন এসব বরকতপূর্ণ মাহফিল অত্যন্ত জওক-শওকের সাথে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।পবিত্র সাইয়্যিদুল আইয়াদ শরীফ উনার সুমহান উপলক্ষে এক বরকতপূর্ণ মাহফিলের আয়োজন করা হয় মুন্সিগঞ্জ গ্রামের মুহম্মদ ইয়াসিন আলীর বাড়ীতে। ১১ পবিত্র রবীউল আউওয়াল শরীফ বাদ-ইশা উক্ত বরকতপূর্ণ মাহফিলে পবিত্র যিকির পরিচালনা করেন মুহম্মদ জিল্লুর রহমান; পবিত্র কুরআন শরীফ তেলাওয়াত করেন মুহম্মদ রবিউল ইসলাম। আলোচনা করেন মুহম্মদ রহমতুল্লাহ, হাফিয মুহম্মদ ছানাউল্লাহ ও আল্লামা মুহম্মদ মুহসিনুর রহমান। পবিত্র মীলাদ শরীফ ও পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ পাঠ করেন মুহম্মদ শাহাদাত হুসাইন। মুনাজাত করেন মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা (ভোলাহাট)-এর প্রধানশিক্ষক হাফিয মুহম্মদ আবূ সাঈম। সব শেষে তবারক পরিবেশন করা হয়।
Saturday, December 17, 2016
‘বিজ্ঞান’ শুধুমাত্র মুসলমানদেরই অবদান- একথা শুধু অতীত ইতিহাস বা নিকট ইতিহাসেই নয়, প্রত্যেক যুগেই প্রমাণিত সত্য।
পরিত্যক্ত
পলিথিন তথা প্লাস্টিক থেকে ডিজেল ও পেট্রলের মতো জ্বালানি তেল পাওয়ার কৌশল উদ্ভাবন
করেছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) রসায়ন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ
মাহমুদুর রহমান। তিনি পরীক্ষামূলকভাবে ৩০ গ্রাম প্লাস্টিক ব্যাগ থেকে ১৫ মিলিলিটার
জ্বালানি তেল উৎপাদন করেছেন। এ প্রক্রিয়ায় ১ কেজি প্লাস্টিক থেকে ০.৫ লিটার তেল
উৎপাদন সম্ভব। এ পদ্ধতিতে উৎপাদিত তেলের প্রতি লিটারের দাম পড়বে ৩০ টাকা। ওই তেল
সর্বপ্রকার যানবাহন, সেচ পাম্পসহ
জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। এই প্রক্রিয়ায় উৎপাদিত গ্যাস থেকে বিদ্যুতও
উৎপাদন করা যাবে। তবে এর আগে পরিত্যক্ত প্লাস্টিক জাতীয় বর্জ্য পদার্থ থেকে
জ্বালানি তেল উদ্ভাবন করেছে দিনাজপুরের স্কুল ছাত্র মকলেসুর রহমান ইমন।

