Tuesday, July 15, 2014

মহাসম্মানিত দ্বীন ইসলাম ও মহাপবিত্র বদরের জিহাদ

মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার মাঝে নাযিলকৃত পবিত্র আয়াতে কারীমা দ্বারা সুস্পষ্টরূপে প্রকাশিত ও প্রতিভাত হয় যে, ‘ইসলাম কখনই পরাজিত হবে না।’ যেমন ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “বিজয় কেবল পরাক্রমশালী প্রজ্ঞাময় মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকেই এসে থাকে।” (পবিত্র সূরা আলে ইমরান শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ১২৬)
          আরো ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “মু’মিন-মুসলমানগণকে সাহায্য করাই মহান আল্লাহ পাক উনার হক্ব।” (পবিত্র সূরা রূম শরীফ : পবিত্র আয়াত শরীফ ৪৭)
        
 
বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিষয়টি অনেকেই আপেক্ষিক বলার চেষ্টা করবেন। তবে মহাপবিত্র কুরআন শরীফ উনার এই কথা যে এক কঠিন বাস্তব তার প্রমাণই হচ্ছে ওই বদর প্রান্তরের পবিত্র জিহাদ। এক হাজার সুসজ্জিত কাফির সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে মাত্র ৩১৩/৩১৫ জন হযরত ছাহাবায়ে কিরাম রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহুম উনারা লড়াই করেন।

Saturday, July 5, 2014

প্রশাসনকে কিছু না জানিয়ে বিচ্ছিন্নতাবাদী উপজাতি সন্ত্রাসীদের সাথে বৈঠকের জন্য গোপন সফর: সুলতানা কামালসহ সিএইচটি’র সদস্যরা পার্বত্যাঞ্চলে অবাঞ্চিত ॥ পুলশের সহায়তায় অবরুদ্ধ অবস্থা থেকে পলায়ন

প্রশাসনকে কিছু না জানিয়ে ‘চট্টগ্রাম বিষয়ক আন্তর্জাতিক কমিশন’-(সিএইচটি) নামক দেশদ্রোহী সংস্থার কো-চেয়ারম্যান ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারের সাবেক উপদেষ্টার তকমাধারী কিন্তু প্রকৃতপক্ষে খ্রিস্টান রাজ্য গঠনের বিচ্ছিন্নতাবাদী সন্ত্রাসের উস্কানিদাতা দালাল এডভোকেট সুলতানা কামালসহ ৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলকে রাঙামাটিতে অবরুদ্ধ করে দেশপ্রেমিক বাঙালিদের ৬টি সংগঠন। পরে এসব দালালরা পুলিশী প্রহরায় পলায়ন করে জান বাঁচায়। এরা পার্বাত্যাঞ্চলকে বিচ্ছিন্ন করতে বিদেশী এজন্ডা বাস্তবায়নে চক্রান্তে লিপ্ত।
এসময় রাঙ্গামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের মোটেলে অবস্থান নেয় গাদ্দার দালালরা। প্রশাসনকে কিছু না জানিয়ে রাঙামাটিতে যাওয়ায় প্রথমত তাদের কোনো সহযোগিতা করতে পারেনি প্রশাসনে কর্মকর্তরাও। প্রশাসনের দায়িত্বশীল একটি সূত্র জানায়, পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকায় তাদেরকে রাঙামাটিতে না আসতে বারবার অনুরোধ করা হয়। তারপরও প্রশাসনের কাউকে না জানিয়ে তারা রাঙ্গামাটি এসেছে। এটা অবশ্যই রহস্যজনক।

সাইয়্যিদাতু নিসায়ি আহলিল জান্নাহ আছ ছালিছা সাইয়্যিদাতুনা হযরত উম্মে কুলসুম আলাইহাস সালাম উনার সুমহান শান মুবারক প্রসঙ্গে


মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “(হে আমার হাবীব ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম!) আপনি বলে দিন, আমি তোমাদের নিকট কোনো বিনিময় চাচ্ছি না। আর চাওয়াটাও স্বাভাবিক নয়; তোমাদের পক্ষে দেয়াও কস্মিনকালে সম্ভব নয়। তবে তোমরা যদি ইহকাল ও পরকালে হাক্বীক্বী কামিয়াবী হাছিল করতে চাও; তাহলে তোমাদের জন্য ফরয হচ্ছে আমার হযরত আহলে বাইত শরীফ আলাইহিমুস সালাম উনাদেরকে মুহব্বত করা, তা’যীম-তাকরীম মুবারক করা, উনাদের খিদমত মুবারক উনার আনজাম দেয়া।” (পবিত্র সূরা শূরা শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ২৩)

Monday, June 30, 2014

পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার জরুরী মাসায়ালা-মাসায়িল ও দোয়াসমূহ


রোযার পরিচয় ও করণীয়:

সাধারণত রোযা বলতে ছুবহি ছাদিক্ব থেকে শুরু করে সূর্যাস্তের পূর্ব পর্যন্ত নির্জন অবস্থান ও পানাহার থেকে বিরত থাকাকে বুঝায়। তবে এর সাথে সাথে মিথ্যা, গীবত, চোগলখোরী, ঝগড়া-বিবাদ, মারামারি-কাটাকাটি, গালি-গালাজ, অশ্লীল-অশালীন, ফাসিক্বী ও নাফরমানিমূলক কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। কারণ, হাদীছ শরীফ-এ বর্ণিত রয়েছে- আল্লাহ পাক উনার হাবীব হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি ইরশাদ করেন, “যে ব্যক্তি রমাদ্বান শরীফ-এ খারাপ কাজ করে, শরাব পান করে, ব্যভিচার করে এমন ব্যক্তি রমাদ্বান শরীফ-এর রোযা রাখলেও তা কবুল হবে না। বরং আল্লাহ পাক উনার ফেরেশতাকুল, আসমানের সব অধিবাসী উনারা পরবর্তী রমাদ্বান শরীফ-এর আগ পর্যন্ত ওই ব্যক্তির উপর লা’নত বর্ষণ করতে থাকেন।” নাঊযুবিল্লাহ! (গুনইয়াতুত ত্বলিবীন)

খোশ আমদেদ মাহে রমাদ্বান শরীফ ॥ রহমত মাগফিরাত ও নাজাতের বার্তা নিয়ে শুরু হলো মাহে রমাদ্বান শরীফ

খোশ আমদেদ মাহে রমাদ্বান শরীফ। ২৯ জুন (২০১৪) রোববার ছিল ৩০ মাহে শা’বান শরীফ। কাজেই আজ ৩০ জুন (২০১৪) সোমবার শরীফ পবিত্র মাহে রমাদ্বান শরীফ। সে হিসেবে রোববার দিবাগত রাতে সাহরি খেয়ে আজ ৩০ জুন (২০১৪) সোমবার শরীফ হতে রোযা পালন করেছেন বাঙালি মুসলিম উম্মাহ। অর্থাৎ আজ পহেলা রমাদ্বান শরীফ।

Saturday, June 28, 2014

পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার চাঁদ দেখা যায়নি ॥ সোমবার থেকে রোযা শুরু


যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, কুতুবুল আলম, কাইয়্যুমুয যামান, মুজাদ্দিদে আ’যম, গাউছুল আ’যম, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক পৃষ্ঠপোষকতায় ও দিক-নির্দেশনায় পরিচালিত ‘আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত রুইয়াতে হিলাল মজলিস’ উনার সংবাদ অনুযায়ী বাংলাদেশের আকাশে ২৮ জুন-২০১৪ ইয়াওমুস সাব্তি বা শনিবার দিবাগত সন্ধ্যায় পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার চাঁদ দেখা যায়নি।

Wednesday, June 25, 2014

বাংলাদেশে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস উনার চাঁদ তালাশ করতে হবে ২৯শে আউওয়াল-১৩৮২ শামসী সন, ২৮শে জুন-২০১৪ ঈসায়ী সন, ইয়াওমুস সাব্ত বা শনিবার দিবাগত সন্ধ্যায়

আহলান সাহলান পবিত্র রমাদ্বান শরীফ!!!

পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস। এ পবিত্র মাস উনার অনেক মর্যাদা ও সম্মান রয়েছে। এ পবিত্র মাস হলো মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ মাস। এ প্রসঙ্গে পবিত্র হাদীছ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “পবিত্র রমাদ্বান শরীফ উনার প্রথম দশদিন রহমতের, দ্বিতীয় দশদিন মাগফিরাতের ও শেষ দশদিন নাজাতের।” সুবহানাল্লাহ!