Wednesday, October 28, 2015

আসল সন্ত্রাসী কারা? মুসলমান না কাফিররা?

================================
১. হিটলার ১ কোটি ১০ লক্ষ মানুষকে হত্যা করেছিলো। সে কিন্তু মুসলিম ছিলো না, ছিলো খ্রিস্টান।
২. জোসেফ স্টালিন ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও মুসলমান ছিলো না। নাস্তিক দাবি করতো।
৩. মাওসেতুং দেড় থেকে ২ কোটি মানুষকে হত্যা করেছিলো। সেও মুসলমান ছিলো না। নাস্তিক দাবি করতো।
৪. মুসলিনি (ইতালিয়ান ফ্যাসিস্ট) ৪ লাখ হত্যা করেছিলো, সেও মুসলমান ছিলো না।

Tuesday, October 27, 2015

পাহাড়ে প্রলোভনের ফাঁদে ফেলে দরিদ্র মুসলমানদেরকে ধর্মান্তরিত করছে মিশনারীরা ॥ * নাইক্ষ্যংছড়িতে ৭ মুসলিম নারী-পুরুষকে খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিতকরণের চঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস : আটক ১

====================
উপজাতিদের পাশাপাশি এবার বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়িতে ৭ মুসলিম নারী-পুরুষকে খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিতকরণের চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস হয়েছে। এ ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গত রোববার ২৫ অক্টোবর-২০১৫ ধর্মান্তরিত হওয়া এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।
প্রাপ্ত তথ্যে স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানা গেছে, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার দুর্গম দোছড়ি ইউনিয়নের অসহায় গরিব বাসিন্দা আয়াজের ছেলে মতিউর রহমান, নুরুল হাকিমের ছেলে আবছার, সৈয়দ আলম নাগু’র ছেলে দেলোয়ার হোসেন, ছালেহ আহমদের স্ত্রী ছবুরা খাতুন, আলিমউদ্দিনের ছেলে শহিদুল্লাহ ইউনুছ-এর ছেলে ছালেহ আহামদকে বিভিন্নভাবে প্রলোভন দিয়ে উখিয়ায় বসবাসকারী মিশনারী এজন্টরা খ্রিস্টধর্ম গ্রহণে উদ্বুদ্ধ করে আসছিল।

MAHFIL


Monday, October 26, 2015

পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ উপলক্ষে- ভোলাহাটে বিভিন্ন স্থানে বিশেষ মাহফিল অনুষ্ঠিত

সুমহান ঐতিহাসিক পবিত্র আশূরা মিনাল মুহররমুল হারাম শরীফ হলো- সকলের জন্যই রহমত, বরকত ও সাকীনা হাছিল করার দিন। এ সুমহান দিনে অনেক রহমতপূর্ণ, বরকতপূর্ণ, নিয়ামতপূর্ণ ঘটনা সংঘটিত হয়েছে। পাশাপাশি এদিনটি হচ্ছে- সাইয়্যিদুশ শুহাদা, শুহাদায়ে কারবালা, ইমামুছ ছালিছ মিন আহলি বাইতি রসূলিল্লাহি ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাইয়্যিদুনা হযরত ইমাম হুসাইন আলাইহিস সালাম উনার পবিত্র শাহাদাতী শান মুবারক প্রকাশ দিবস। আর তাই এই মহাসম্মানিত দিবস উপলক্ষে গত জুমুয়াবার দিনে ও দিবাগত রাতে ভোলাহাটে বিভিন্ন স্থানে আলোচনা মাহফিল করা হয়। এবং পবিত্র মীলাদ শরীফ, পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা হয়।

Friday, October 16, 2015

কম্পিউটার ও তথ্যপ্রযুক্তিগত ৬৪টি সংক্ষিপ্ত প্রয়োজনীয় শব্দের পুর্ন রুপ

১। Wi-Fi র পূর্ণরূপ — Wireless Fidelity.২। HTTP এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer Protocol.৩। HTTPS এর পূর্ণরূপ — Hyper Text Transfer Protocol Secure.৪। URL এর পূর্ণরূপ — Uniform Resource Locator.৫। IP এর পূর্ণরূপ— Internet Protocol৬। VIRUS এর পূর্ণরূপ — Vital Information Resource Under Seized.৭। SIM এর পূর্ণরূপ — Subscriber Identity Module.৮। 3G এর পূর্ণরূপ — 3rd Generation.৯। GSM এর পূর্ণরূপ — Global System for Mobile Communication.১০। CDMA এর পূর্ণরূপ — Code Divison Multiple Access.

মুবারক হো ১ ও ২ মুহররমুল হারাম শরীফ! আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ভোলাহাট শাখার উদ্যোগে- ‘মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা’য় বিশেষ মাহফিল অনুষ্ঠিত


আবূ রসূলিল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, যবীহুল্লাহ, খইরুল বাশার, সাইয়্যিদুল আরব ওয়াল আ’যম, আবুল বাশার, ছাহিবুল জান্নাহ, ছাহিবু নূরিম মুজাসসাম, সাইয়্যিদুনা হযরত আব্দুল্লাহ আলাইহিস সালাম তিনি মহাপবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করেন সুমহান মহাপবিত্র ২রা মুহররমুল হারাম শরীফ।
এবং খলীফায়ে ছালিছ, আমীরুল মু’মিনীন সাইয়্যিদুনা হযরত যুন নূরাইন আলাইহিস সালাম উনার সম্মানিত খিলাফত মুবারক পরিচলানার দায়িত্ব গ্রহণের সুমহান দিন হলো ১লা মুহররমুল হারাম শরীফ। সুবহানাল্লাহ!
গত ১ মুহররমুল হারাম শরীফ (১৪৩৭হি.) (১৫ অক্টোবর-২০১৫) বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে বাদ ইশা আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত ভোলাহাট শাখার উদ্যোগে এই মহাসম্মানিত দিবসগুলো উপলক্ষে উনাদের পবিত্র সাওয়ানেহে উমরী মুবারক আলোচনা করে নিয়ামত-বরকত হাছিল করার লক্ষ্যে মাহফিল করে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ ও পবিত্র ক্বিয়াম শরীফ করা হয়। আল হামদুলিল্লাহ!

Wednesday, September 2, 2015

প্রসঙ্গ: পবিত্র কুরবানীর পশু জবাইয়ের স্থান নির্দিষ্টকরণ ॥ ৯৮% মুসলমান অধ্যুষিত এদেশে মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার নিয়ে ছিনিমিনি খেললে খোদায়ী গযবে পড়ার বিপদ আছে


এ বছর (অর্থাৎ ১৪৩৬ হিজরী) সরকার এক নতুন আইন করেছে; বলছে- সরকার কর্তৃক নির্ধারিত স্থানে কুরবানী দিতে হবে। ঢাকা শহরে ৪৯৩টি এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ২০টি স্পট নির্ধারণ করে সিটি কর্পোরেশন বলেছে, ওই সব স্পটে কুরবানী না দিলে তারা কুরবানীদাতাদের বিরুদ্ধে আইনানুনগ ব্যবস্থা নিবে। নাউযুবিল্লাহ!
অথচ সরকার কিংবা সিটি কর্পোরেশন কি একবার ভেবে দেখেছে, আদৌ এ ধরনের সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মুসলমানদের ধর্মীয় অধিকার সংরক্ষিত হবে কিনা? কিংবা এ ধরনের একটি সিস্টেম বাস্তবেই সম্ভব কিনা? কিংবা সরকার নিজেই এর ধকল সামলাতে পারবে কিনা?
আমার মনে হয়- সরকারের যে মহল এ ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তারা কখনোই কুরবানীর মতো বিষয় সম্পর্কে ফিল্ড পর্যায়ে ওয়াকিবহাল নয় এবং পুরোপুরি চিন্তাও করেনি।