Wednesday, January 27, 2016

যখন যা বলা সুন্নত

================
চলতে-ফিরতে আমরা কত কি-ই না বলে থাকি। ভালো-মন্দ কত কিছুই উচ্চারিত হয় আমাদের জবানে। অথচ একটু খেয়াল করে নিয়ত ঠিক করলেই অর্জিত হয় অসংখ্য ছওয়াব। স্থান-কাল বুঝে মাত্র কয়েকটি শব্দ উচ্চারণেই হাছিল হয় অমূল্য নেকী ও সন্তুষ্টি। নিচে কয়েকটি ধারায় এমন কিছু পবিত্র সুন্নত মুবারক উনার কথা আলোচনা করা হলো- যা দু’একটি শব্দ বলে অতি সহজেই আদায় করা যায়।
(১). ভালো কিছু খাওয়া বা পান করার সময়, কোনো কিছু লেখা বা পড়ার সময় অর্থাৎ যেকোনো ভালো কাজ শুরু করার সময় ‘বিসমিল্লাহ’ বলে শুরু করা সুন্নত। [পবিত্র বুখারী শরীফ]
(২). ভালো কিছু খাওয়া বা পান করা শেষে, কোনো খোশ খবর শোনা হলে, কেউ ‘কেমন আছো’ জিজ্ঞেস করলে- তার জবাবে ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলা সুন্নত। [ইবনে মাজাহ শরীফ]

পবিত্র দ্বীন ইসলাম কখনোই কথিত ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’র অধীন হতে পারে না।


পবিত্র কুরআন শরীফ উনার মধ্যে খালিক্ব মালিক রব মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “তবে কী তোমরা কিতাবের কিছু অংশ গ্রহণ করবে? এবং কিছু অংশ অস্বীকার করবে?”
অর্থাৎ কিছু মানা আর কিছু না মানা মানুষের প্রাচীন প্রবৃত্তি। কিন্তু এটা ঈমানদারগণ উনাদের পরিচয় নয়।
মুসলমান হিসেবে থাকতে হলে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনাকে পরিপূর্ণভাবেই মানতে হবে। শুধু সংবিধানে কথিত রাষ্ট্রধর্ম ‘ইসলাম’ বা ‘বিসমিল্লাহ’ লিপিবদ্ধ রাখলেই চলবে না; পাশাপাশি ধর্মনিরপেক্ষতাও ঢোকানো যাবে না। কারণ মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, “হে ঈমানদারগণ! আপনারা পরিপূর্ণভাবে পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার মধ্যে প্রবেশ করুন।”

Wednesday, December 9, 2015

ভোলাহাট আনজুমানের উদ্যোগে ঐতিহাসিক পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উপলক্ষে- ২৬শে ছফর দিবাগত রাতে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতিমখানা প্রাঙ্গনে আযীমুশ শান ওয়াজ শরীফ, মীলাদ শরীফ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত


যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার নেক দৃষ্টি ফয়েয-তাওয়াজ্জু ও দয়া-দান ইহসানে ভোলাহাট আনজুমানের উদ্যোগে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতিমখানা (মুন্সিগঞ্জ, বজরাটেক, ভোলাহাট) প্রাঙ্গনে ঐতিহাসিক পবিত্র আখিরী চাহার শোম্বাহ শরীফ উপলক্ষে-২৬শে ছফর রাতে অত্র মাদরাসা প্রাঙ্গনে গত মঙ্গলবার ২৬ ছফর-১৪৩৭ হিজরী দিবাগত রাতে এক আযীমুশ শান ওয়াজ শরীফ, মীলাদ শরীফ ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। 

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার সম্মানার্থে- ভোলাহাটে মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসায় ৫ তলাবিশিষ্ট মসজিদ ভবনের ছাদ ঢালাই সম্পন্ন

 যামানার লক্ষ্যস্থল ওলীআল্লাহ, যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, ইমামুল আইম্মাহ, মুহইউস সুন্নাহ, কুতুবুল আলম, মুজাদ্দিদে আ’যম, ক্বইয়ূমুয যামান, জাব্বারিউল আউওয়াল, ক্বউইয়্যূল আউওয়াল, সুলত্বানুন নাছীর, হাবীবুল্লাহ, জামিউল আলক্বাব, আওলাদে রসূল, মাওলানা সাইয়্যিদুনা হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম উনার খাছ দোয়া মুবারকে গত ২৪ ছফর-১৪৩৭ হিজরী (৭ ডিসেম্বর-২০১৫) সোমবার মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদ্রাসা ও ইয়াতিমখানা (মুন্সিগঞ্জ, বজরাটেক, ভোলাহাট) চত্বরে নির্মাণাধীন ৫ তলাবিশিষ্ট মসজিদ ভবনের প্রথম তলার ছাদ ঢালাই সম্পন্ন হয়েছে। (আল-হামদুলিল্লাহ)।

Wednesday, December 2, 2015

এরপরও ওইসব ‘অমুসলিমরা’ কি করে নিজেদের ‘সভ্য’ দাবি করে?


কানাডা:
১ বছরেই এ দেশে সম্ভ্রমহরণের রিপোর্টেড কেসের সংখ্যা ২৫ লাখের বেশি। যা মোট রেপ কেসের মাত্র ৬ ভাগ। এদেশের প্রতি ৩ জন নারীর মধ্যে ১ জন নারী যৌন হয়রানির শিকার হয় কিন্তু মাত্র ৬ শতাংশ রিপোর্ট করা হয়।
জার্মানি:
এখানে শুধু কেবল সম্ভ্রমহরণই নয়, বরং সম্ভ্রমহরণের পর প্রায় আড়াই লক্ষ নারী ও শিশু মৃত্যুমুখে পতিত হয়েছে ২০১৩ সালে। প্রতিবছর জার্মানিতে নারীদের শ্লীলতাহানির রিপোর্ট করা হয় প্রায় ১ লক্ষের মতো।

Monday, November 16, 2015

ইতিহাসের পাতায় ওলীআল্লাহগণ উনাদের অঢেল অর্থ খরচের উদাহরণ এবং সেই অর্থের প্রতি হিন্দুদের লোলুপ মনোবৃত্তি


চিশতীয়া তরীক্বা উনার একজন প্রধান ওলীআল্লাহ হযরত নিযামউদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি। দিল্লীতে ছিল উনার খানকা শরীফ। ইতিহাসে লেখা রয়েছে, খানকা শরীফ ও লঙ্গরখানার খরচ বহনের জন্য তিনি উনার খাদিমকে নির্দেশ মুবারক দিয়ে রেখেছিলেন, যদি কখনো অর্থের দরকার হয় অমুক তাকের মধ্যে হাত দিতে। প্রয়োজনীয় অর্থ সেখানেই কুদরতীভাবে পাওয়া যেতো।
শুধু হযরত নিযামউদ্দীন আউলিয়া রহমতুল্লাহি আলাইহি তিনি নন, বরং গোটা ইতিহাসেই ওলীআল্লাহগণ উনাদের অঢেল অর্থ খরচের ইতিহাস পাওয়া যায়। চিশতীয়া তরীক্বা উনার অন্যতম আরো একজন ওলীআল্লাহ হলেন হযরত আলাউল হক রহমতুল্লাহি আলাইহি। উনার খানকা শরীফ ছিল তৎকালীন বাংলার রাজধানী পান্ডুয়ায়। তিনি উনার খানকা শরীফে এতো অর্থ খরচ করতেন যে, তৎকালীন বাংলার বাদশাহ সিকান্দার শাহও তার রাজকোষ থেকে এতো অর্থ খরচ করতে পারতেন না।