“একদিন একটা ঘটনা আমার মনে দাগ কেটে দিয়েছিল, আজও সেটা ভুলি নাই। আমার এক বন্ধু ছিল ননীকুমার দাস। ... ও ওর কাকার বাড়িতে থাকত। একদিন ওদের বাড়িতে যাই। ও আমাকে ওদের থাকার ঘরে নিয়ে বসায়। ওর কাকীমাও আমাকে খুব ভালবাসত। আমি চলে আসার কিছু সময় পর ননী কাঁদো কাঁদো অবস্থায় আমার বাসায় এসে হাজির। আমি বললাম, “ননী কি হয়েছে?” ননী আমাকে বলল, “তুই আর আমাদের বাসায় যাস না। কারণ, তুই চলে আসার পর কাকীমা আমাকে খুব বকেছে তোকে ঘরে আনার জন্য এবং সমস্ত ঘর আবার পরিষ্কার করেছে পানি দিয়ে ও আমাকেও ঘর ধুতে বাধ্য করেছে।” (সূত্র: অসমাপ্ত আত্মজীবনী, শেখ মুজিবুর রহমান, পৃষ্ঠা ২৩)
Showing posts with label হিন্দু কাফিরদের বর্বরতা. Show all posts
Showing posts with label হিন্দু কাফিরদের বর্বরতা. Show all posts
Wednesday, February 15, 2017
Wednesday, January 14, 2015
হিন্দুরা জাতিগতভাবে জালিয়াত, উগ্র, সন্ত্রাসী ও সাম্প্রদায়িক
“কেহ চিৎকার করিতে লাগিল, “মার, মার নেড়ে
মার।” কেহ গাহিল,
“হরে মুরারে মধুকৈটভারে!” কেহ গাহিল, “বন্দে মাতরম।” কেহ বলে, “ভাই, এমন দিন
কি হইবে, মসজিদ ভাঙ্গিয়া রাধামাধবের মন্দির গড়িব?” (আনন্দমঠ, তৃতীয় খ-, অষ্টম পরিচ্ছেদ)
‘আনন্দমঠ’কে বলা হয় হিন্দুদের পলিটিক্যাল ডকট্রিন। আজকের ভারতে যে উগ্র
হিন্দুত্ববাদ, তার শেকড় নিহিত রয়েছে চরম মুসলিমবিদ্বেষী বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত
‘আনন্দমঠে’। সুতরাং এর মধ্যে যেই ‘মসজিদ ভাঙ্গিয়া রাধামাধবের
মন্দির’ বানানোর উল্লেখ রয়েছে,
তা মূলত গোটা হিন্দু সম্প্রদায়েরই
জাতিগত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এর ধারাবাহিকতাতেই বাবরি মসজিদ ভেঙে সেখানে রামমন্দির তৈরি
করার হীন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বর্তমানে বিজেপি’র উগ্র হিন্দুরা।