Friday, December 16, 2016

বাঙালি মুসলিম জাতির আজ ৪৫তম বিজয় বার্ষিকী ॥ * সব যুদ্ধাপরাধী রাজাকারের ফাঁসি কার্যকর ও তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার জোরদার দাবি সর্বমহলে * হানাদার ভারতীয় ‘র’-এর দালাল সাংবাদিক ও মিডিয়া বর্জনের ডাক সর্বত্র

আজ ১৬ ডিসেম্বর। মহান বিজয়ের ৪৫তম বার্ষিকী। ৪৫ বছর আগে এই দিনে বিশ্বের মানচিত্রে স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয় এদেশের বাঙালি মুসলমানদেরকে এনে দিয়েছিলো আত্মপরিচয়ের স্বাধীন ঠিকানা। আজ স্বাধীনতা বিজয়ের নির্মল আনন্দ প্রকাশের দিন, স্বাধীন আবাস ভূমি পওয়ায় মহান আল্লাহ পাক উনার প্রতি শুকরিয়া প্রকাশের দিন। 
পৃথিবীর এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে ধ্বনি প্রতিধ্বনি তুলে, লাল-সবুজের নিশান উড়িয়ে বিজয়ের দামামা ঘোষণার দিন আজ। বাঙালি মুসলিম বীরের রক্তস্রোত আর মায়ের অশ্রুধারায় মিশে পূর্ব দিগন্তে বিজয়ের রক্তিম সূর্য উদিত হওয়ার দিন আজ। বঞ্চনা আর নিগ্রহের শিকার ক্ষোভাতুর রক্তচোখে আগুন মেখে রাইফেল কাঁধে বনে-জঙ্গলে, মাঠে-ঘাটে, পথে-প্রান্তরে, শহরে-বন্দরে, গ্রামে-গঞ্জে, পাড়া-মহল্লায় পাকী সেনা ও তাদের এ দেশীয় দোসর মওদুদী জামাতী, দেওবন্দী খারিজী, ওহাবী সালাফী রাজাকার, আল-বাদর, শান্তিকমিটির ঘাতকদের খুঁজে বেড়ানো দেশপ্রেমিক তেজি বাঙালি মুসলিম তরুণের পদভারে এদিন পৃথিবীর বুকে নতুন একটি মুসলিম দেশ- ‘বাংলাদেশ’-এর জন্ম হয়। 

Tuesday, December 13, 2016

ভোলাহাটের ঘরে ঘরে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার বরকতপূর্ণ মাহফিল অনুষ্ঠিত

ভোলাহাট সংবাদদাতা: সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ ইবাদত পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবুল্লাহ ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে ভোলাহাটে বিভিন্ন স্থানে ও বাড়িতে বাড়িতে প্রতিদিন বরকতপূর্ণ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং চলমান রয়েছে। আখিরী নবী ও রসূল নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র আগমন দিবস পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফকে কেন্দ্র করে ভোলাহাটের ঘরে ঘরে খুশি প্রকাশার্থে প্রতিদিন এসব বরকতপূর্ণ মাহফিল অত্যন্ত জওক-শওকের সাথে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

Friday, December 9, 2016

ঈদে মীলাদে হাবীবী পালনের মাধ্যম দিয়ে মানুষ এসকল নেক কাজ করার সুযোগ ও বিশাল নিয়ামত লাভ করতে পারে।

পবিত্র ঈদে মীলাদে হাবীবী ছল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন এক আমল যে
আমলে অগনিত নিয়ামতের সম্ভার রয়েছে।
ঈদে মীলাদে হাবীবী পালনের মাধ্যম দিয়ে
মানুষ এসকল নেক কাজ করার সুযোগ ও বিশাল
নিয়ামত লাভ করতে পারে।

Thursday, November 24, 2016

পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার গুরুত্ব বুঝতে হলে-- - -


পুঁথিগত শিক্ষা দ্বারা কখনো পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানার্জন হয় না। কেননা বই বা পুস্তক দেখে যদি শিক্ষার্জন করা যেতো তাহলে মাদরাসা, মক্তব, স্কুল, কলেজ, মহাবিদ্যালয়, ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি বিদ্যাপীঠ স্থাপনের প্রয়োজন হতো না। প্রত্যেক ছাত্ররাই লাইব্রেরী থেকে বই-পুস্তক ক্রয় করে পড়ালেখা করতে পারতো। কিন্তু তাতো হয় না, লাইব্রেরী থেকে বই ক্রয় করে নিয়মিত ক্লাসে যোগদানের ফলে ছাত্র তার উদিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সফলতার শীর্ষে আরোহণ করে। শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে পরিবেশ পরিস্থিতি অনুযায়ী অর্থাৎ স্বচক্ষে দেখে দেখে জ্ঞার্নাজন করতে হয়।

সমস্যার স্থায়ী সমাধানই পারে বিপন্ন রোহিঙ্গাদের বাঁচাতে


=========================
মিয়ানমারের আরাকানে (বর্তমান রাখাইন) রোহিঙ্গা মুসলিমদের মানবেতর জীবন আজকের নয়, শতাব্দীব্যাপী চলছে এই করুণ দশা। আরাকানের মুসলমানদের ইতিহাসে দেখা যায়, ১৪শশতাব্দীর প্রথম দিক থেকে মুসলমানরা মিয়ানমারের আরাকান (বর্তমান রাখাইন) প্রদেশে শাসন কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করে। তবে সেখানে বসবাস শুরু করে আরো বহু আগে। শুধু তাই নয়, বর্তমান রাখাইনে ১৫০০ শতক থেকে ১৮০০ শতক পর্যন্ত আরাকান মুসলিম শাসিত রাজ্য ছিল। সেই হিসেবে প্রায় হাজার বছর ধরে রোহিঙ্গা মুসলিমরা মিয়ানমারে বাস করছে।

Wednesday, November 16, 2016

ভোলাহাটে পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে মাহফিল অনুষ্ঠিত

 পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উপলক্ষে গত সোমবার দিবাগত রাতে বাদ-ইশা এক বরকতপূর্ণ মাহফিলের আয়োজন করা হয়। উক্ত বরকতপূর্ণ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয় ভোলাহাট উপজেলার কানারহাট বাগানপাড়া গ্রামের মুহম্মদ কালু শেখ-এর বাড়িতে। উক্ত বরকতপূর্ণ মাহফিলে আলোচনা করেন আল্লামা মুহম্মদ মুহসিনুর রহমান ও আল্লামা মুহম্মদ সালাহুদ্দীন। উক্ত বরকতপূর্ণ মাহফিলে পবিত্র মীলাদ শরীফ পাঠ ও কিয়াম শরীফ পরিচালনা করেন ছুফী মুহম্মদ রহমতুল্লাহ আর দোয়া-মুনাজাত পরিচালনা করেন মুহম্মদিয়া জামিয়া শরীফ মাদরাসা ও ইয়াতীমখানা ভোলাহাট শাখার প্রধান শিক্ষক হাফিয মুহম্মদ আবূ সাইম। মাহফিল শেষে তাবারক বিতরণ করা হয়। অত্র মহল্লার ধর্মভীরু মুসল্লীগণ মাহফিলে উপস্থিত হন।

নেক কাজে উৎসাহী করতে- সন্তানদের জান্নাতের অপার নিয়ামত শিক্ষা দিন

পড়ালেখা শিখাচ্ছেন- সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে। যেন বড় হয়ে নিজের পায়ে দাঁড়াতে পারে, ভালো কোনো চাকরি বা ব্যবসার মাধ্যমে সচ্ছলভাবে থাকতে পারে এই আশায়। কিন্তু একজন মুসলিম হিসেবে এটাই কি আপনার এবং আপনার সন্তানদের ভবিষ্যৎ? না, কখনোই নয়। বরং আমাদের আসল ভবিষ্যৎ হলো পরকাল। এই দুনিয়ার সচ্ছলতা, একটু সুখ সেটা কত বছরের জন্য? এরপর কি হবে, কোথায় যেতে হবে, কোথায় থাকতে হবে? মুসলিম হিসেবে তা আপনাকে যেমন অনুভব করতে হবে, তেমনি সেই অনুভূতি আপনার সন্তানদের মাঝেও সৃষ্টি করে দিতে হবে। সঠিক মত-পথ তথা ইসলামী শরীয়ত মুতাবিক চললে জান্নাতের অবারিত ইতমিনান, প্রশান্তি লাভ করা যাবে। বিপরীতে নাহক্ব তথা হারাম-নাজায়িয কাজ জাহান্নামের কঠিন আযাব-গযব শাস্তির মুখোমুখি করবে। যা দুনিয়ার বড় বড় কষ্ট বা যন্ত্রণার চাইতেও অনেক অনেক বেশি কষ্টকর ও যন্ত্রণাদায়ক।