Tuesday, July 9, 2013

১২ ছানী ১৩৮১ শামসী (১১ জুলাই ২০১৩ঈ.) বৃহস্পতিবার থেকে ১৪৩৪ হিজরী সনের পবিত্র রমাদ্বান মাস শুরু : পবিত্র রমাদ্বান শরীফ কেন রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত উনাদের অধিকারী?



রহমত, মাগফিরাত ও নাজাত উনাদের অমিয় বার্তা নিয়ে আমাদের দ্বারে হাজির ১৪৩৪ হিজরী সনের মাহে রমাদ্বান শরীফ পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস রহমত, মাগফিরাত নাজাত ধারণ বিতরণ করলেও কেন কীভাবে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস রহমত, মাগফিরাত নাজাত ধারণ করতে পারলো তা কিন্তু সাধারণ মানুষে জানে না আর দুনিয়াদার মাওলানারাও ব্যাপরে ফিকিরের যোগ্যতা রাখে না মূলত, যে সকল মহান ব্যক্তিত্ব সুমহান বরকতময় ঘটনার কারণে বা উনাদের নিসবতধন্য হওয়ার ফলে পবিত্র রমাদ্বান শরীফ মাস রহমত, মাগফিরাত নাজাত উনাদের অধিকারী হলো তাহা এখানে সংক্ষেপে উল্লেখ করা হলো

Sunday, July 7, 2013

দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকায় প্রকাশিত- পিজি হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহর ‘রোযা অবস্থায় চিকিৎসা নেয়া’ সম্পর্কিত প্রতিবেদনটি সম্পূর্ণ ভুল ও বিভ্রান্তিমূলক!



শরীয়তের সঠিক ফতওয়া হলো- রোযা অবস্থায় ইনজেকশন, স্যালাইন, ইনহেলার নিলে রোযা অবশ্যই ভঙ্গ হয়ে যাবে
দৈনিক ইত্তেফাকপত্রিকায় প্রকাশিতরোযা নষ্ট হয় না যে ব্যবস্থাপত্রেশিরোনামে বঙ্গবন্ধু মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন বিভাগের অধ্যাপক ডা. এবিএম আব্দুল্লাহর লেখা প্রতিবেদনটি আমাদের নজরে পড়েছে
লেখক উক্ত প্রতিবেদনে যা উল্লেখ করেছে তার প্রায় সম্পূর্ণটাই ভুল শরীয়ত বিরোধী পাশাপাশি মুসলমানগণের ফরয রোযা নষ্ট করার একটি গভীর সূক্ষ্ম ষড়যন্ত্র
স্মর্তব্য যে, লেখক তার বক্তব্যের স্বপক্ষে কুরআন শরীফ, হাদীছ শরীফ, ইজমা ক্বিয়াস থেকে কোনো দলীলই পেশ করেনি বা করতে পারেনি

Saturday, July 6, 2013

কেবলমাত্র মুজাদ্দিদে আ’যম আলাইহিস সালাম উনার উসীলায়ই সারা বিশ্বে খিলাফত সম্ভব; কথিত ‘ইসলামপন্থী দল’ ও রাজনৈতিক আন্দোলন দ্বারা কখনোই তা সম্ভব নয়


২০১১ সালে প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের পদত্যাগের দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠে তাহরির স্কয়ার ফলতঃ ২০১১ সালের ২৮ নভেম্বর মিশরে ঐতিহাসিক গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে ৩০ বছরের প্রেসিডেন্ট হোসনি মোবারকের যুগের অবসান ঘটে হোসনি মোবারকের পদত্যাগের পর বাঁধভাঙা উল্লাস করেছিল মিশরের জনগণ এরপর দেশটিতে প্রথমবারের মতো পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রথম দফায় ভোট নেয়া হয় কথিতইসলামপন্থী দলগুলো নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয়ী হয় এর মধ্যে অর্ধেক ভোট পায় মুসলিম ব্রাদারহুড (ইখওয়ানুল মুসলিমীন) আর তাই মুসলিম ব্রাদারহুডের অর্থায়নে পরিচালিত ফ্রিডম অ্যান্ড জাস্টিস পার্টির প্রধান মোহাম্মদ মুরসিকে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করা হয়

Wednesday, July 3, 2013

মওদুদীবাদী জামাতের দিন ফুরিয়ে গেছে



এক সময় প্রচারণা ছিল- সারাদেশে মওদুদীবাদী জামাতের ব্যাপক প্রভাব আর দাপটের জামাত নাম শুনলে সবাই অজানা আতঙ্কে ভুগতো ভয়ে জামাতীদেরকে এড়িয়ে চলতো, কেউ-বা সমীহ করতো আর গত দুবছরে (২০১১ সালের জুন থেকে ২০১৩ সালের মে পর্যন্ত) দেশের বিভিন্ন স্থানে জামাত সন্ত্রাসী ঘটনার মধ্যে দিয়ে তা প্রমাণও করতে চেয়েছে কিন্তু গত দুবছরে (২০১১ সালের জুন থেকে ২০১৩ সালের মে পর্যন্ত) দেশের বিভিন্ন স্থানে জামাত যে সন্ত্রাসী সহিংসতা ঘটিয়েছে তা মাত্র গোটা কয়েক জেলায়, গোটা দেশে নয় আর তাও আবার জনগণের প্রত্যাখ্যান সরকারের সঠিক পদক্ষেপের কারণে নিয়ন্ত্রণ করা গেছে; ব্যাপকতা লাভ করেনি জামাতীরা চেয়েছিল সিরিয়া, মিশর, লিবিয়ার মতো ওহাবীবাদী বিপ্লব ঘটাতে কিন্তু ওহাবীপন্থী মওদুদীবাদী জামাতীদেরকে দেশের মানুষ প্রত্যাখ্যান করায় তারা আস্তাকুঁড়ে নিক্ষেপ হয়েছে

ভোলাহাটে সিটিসেল সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় গ্রাহকরা চরম দুর্ভোগে



ভোলাহাটে সিটিসেল গ্রাহকেরা সপ্তাহব্যাপী মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ না পাওয়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে। অভিযোগে জানা গেছে, গত ২৪ জুন (২০১৩ ঈ.) থেকে ৩ জুলাই (২০১৩ ঈ.) এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সময় মোবাইল ও ইন্টারনেট সংযোগ সিটিসেল গ্রাহকেরা না পাওয়ায় মোবাইল ও মোডেম অকেজো হয়ে পড়েছে শত শত সিটিসেল গ্রাহকের।

রেশমাকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রতিবেদনকারী সাংবাদিক সায়মন ভাঁওতাবাজ ॥ হলুদ সাংবাদিকতার দায়ে গ্রেফতারও হয়েছিলো

সায়মন রাইট নিজেই ধোঁকাবাজি, হলুদ সাংবাদিকতা ও টাকার বিনিময়ে বানোয়াট সংবাদ তৈরি করে হয়েছে শিরোনাম। হয়েছে গ্রেপ্তার ও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বহিষ্কার। আর এই সেই সায়মন রাইটই গত ৩০ জুন ২০১৩ ঈসায়ী তারিখে ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড সানডে মিররে রেশমা উদ্ধার নিয়ে কথিত অনুসন্ধানী রিপোর্ট প্রকাশ করে আবারো সংবাদ হয়েছে। বিতর্কিত ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, “রেশমা উদ্ধার ঘটনা স্রেফ ভাঁওতাবাজি।”  তবে সবার ধারণা, এটাও সায়মনের ধোঁকাবাজি। কেননা সায়মন নিজেই একটা ধোঁকাবাজ।

Saturday, June 29, 2013

ধর্মব্যবসায়ী দল জামাতের প্রতিষ্ঠাতা মাও. মওদুদী সিআইএ’র এজেন্ট ও ইবনে ওহাব নজদীর বশংবদ!

পবিত্র কুরআন শরীফ উনার অনেক আয়াত শরীফ উনার মধ্যে মহান আল্লাহ পাক তিনি প্রথমে ঈমান আনার কথা এবং পরে আমলের কথা বলেছেন। ইসলামবিদ্বেষী কাফির-মুশরিকরা তাই মুসলমানদের ঈমানী চেতনায় বিভেদ তৈরির জন্য সদা সক্রিয়। মহান আল্লাহ পাক তিনি কালামুল্লাহ শরীফ উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক করেন- “তারা পূর্ব থেকেই বিভেদ সৃষ্টির সুযোগ সন্ধানে ছিল এবং তারা চাচ্ছিল আপনার কার্যসমূহ উলট-পালট করে দেয়ার জন্য।” (সূরা তওবা: আয়াত শরীফ ৪৮)
এক্ষেত্রে ইসলামবিদ্বেষী কাফির-মুশরিকরা মূলত মুসলমানদের থেকেই এজেন্ট তৈরি করে। যারা মুসলমানদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে ইসলামী আক্বীদার মধ্যে ফিতনা তৈরি করে।