Wednesday, April 8, 2015

মধু-দারুচিনির বিস্ময়কর মিশ্রণ দূর করবে ৭ রকমের সমস্যা

মধু এবং দারুচিনি দুটোই আমাদের দৈনন্দিন জীবনের বেশ পরিচিত নাম। দুটোই ঔষধি গুণাগুণের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ঠান্ডা-সর্দি থেকে শুরু করে হৃদপি-ের নানা সমস্যার সমাধান করে মধু এবং দারুচিনি দুটোই। এই দুটি অসাধারণ প্রাকৃতিক ঔষধের গুণাবলী বলে শেষ করা যায় না। মাথায় টাক পড়ে যাচ্ছে? কোলেস্টোরল বাড়ছে নিয়ন্ত্রণহীনভাবে? কোনো চিন্তা নেই; সম্পূর্ণ পার্শ্ব প্রতিক্রিয়াবিহীনভাবে এইসব সমস্যা দূর করে দিতে হাতের কাছেই পেতে আছে বিস্ময়কর উপাদান খোদায়ী দান মধু ও দারুচিনি। মধু এবং দারুচিনির মিশ্রণে দূর করা যাবে প্রায় ৭ ধরনের সমস্যা।

Saturday, March 21, 2015

পবিত্র জুমাদাল উখরা মাস উনার চাঁদ দেখা গেছে ॥ পবিত্র ২০ জুমাদাল উখরা শরীফ হযরত যাহরা আলাইহাস সালাম উনার সুমহান বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ করার এবং পবিত্র ২২ জুমাদাল উখরা শরীফ হযরত ছিদ্দীক্বে আকবর আলাইহসি সালাম উনার পবিত্র বিছালী শান মুবারক প্রকাশ করার সুমহান ও মহাসম্মানিত দিবস

যামানার ইমাম ও মুজতাহিদ, কুতুবুল আলম, কাইয়্যুমুয যামান, মুজাদ্দিদে আ’যম, গাউছুল আ’যম, খলীফাতুল্লাহ, খলীফাতু রসূলিল্লাহ, আওলাদে রসূল, সাইয়্যিদুনা ইমাম রাজারবাগ শরীফ উনার মামদূহ হযরত মুর্শিদ ক্বিবলা আলাইহিস সালাম উনার মুবারক পৃষ্ঠপোষকতায় ও দিক-নির্দেশনায় পরিচালিত আনজুমানে আল বাইয়্যিনাত রু’ইয়াতে হিলাল মজলিস উনার সংবাদ অনুযায়ী গতকাল ইয়াওমুস সাব্ত বা শনিবার দিবাগত সন্ধ্যায় বাংলাদেশে পবিত্র জুমাদাল ঊখরা মাস উনার চাঁদ দেখা গেছে।

Monday, March 16, 2015

নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনাকে রাজনীতিবিদ, কূটনীতিবিদ, সমাজবিদ বলা কুফরী।


পঞ্চম শ্রেণীর ‘ইসলাম ও নৈতিক শিক্ষা’ বইয়ের ১১৯ পৃষ্ঠায় লেখা হয়েছে, “মদীনার সনদ নূরে মুজাসসাম, হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, কূটনৈতিক দূরদর্শিতা, ধর্মীয় সহিষ্ণুতা এবং সুন্দর সমাজ গঠনের এক জ্বলন্ত সাক্ষর বহন করে।”
উক্ত লেখাটি নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মহাসম্মানিত শান মুবারকের প্রতি ইহানত হওয়ার কারণে কুফরী হয়েছে।
স্মরণীয় যে, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি হচ্ছেন মহান আল্লাহ পাক উনার তরফ থেকে মনোনীত শ্রেষ্ঠতম রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম। তিনি সম্মানিত ওহী মুবারক দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। অর্থাৎ উনার প্রতিটি কাজ সম্মানিত ওহী মুবারক দ্বারা সম্পাদিত হয়েছে; তন্মধ্যে মদীনা সনদও অন্তর্ভুক্ত।

Sunday, March 15, 2015

পবিত্র দ্বীন ইসলাম উনার দৃষ্টিতে হরতাল-অবরোধ হারাম। হরতাল-অবরোধ শুধু দুনিয়াবী ক্ষতিই নয়; ঈমানী ক্ষতিরও কারণ। ৯৮ ভাগ মুসলমান অধ্যুষিত এদেশে হরতাল-অবরোধ চলতে পারে না।


দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন ২০দলীয় জোট আহূত অনির্দিষ্টকালের অবরোধ। প্রতি সপ্তাহে দুই দফায় ৫ দিন করে পালিত হচ্ছে হরতাল। ৫ই জানুয়ারি-২০১৫ শুরু হওয়া এ নাশকতার আন্দোলনে প্রতিদিনই ঘটছে সহিংস ঘটনা। বিরোধী জোটের নাশকতার আন্দোলন কর্মসূচি ও সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে তৈরি হয়েছে এক দমবদ্ধ পরিস্থিতি। জাতীয় জীবনের সর্বত্রই রক্তক্ষরণ। বিপর্যস্ত জনজীবন। প্রতিনিয়তই ঘটছে প্রাণহানির ঘটনা। রাজপথে পুড়ে কয়লা হচ্ছে মানুষ। গণতান্ত্রিক দুর্বৃত্তদের পেট্রোলবোমার আঘাতে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬৫ জনের। আহত হয়ে হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছে অন্তত ১৪০০ জন নিরীহ মানুষ। অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ক্রসফায়ার ও বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় মারা গেছে হরতাল-অবরোধকারী ৬০ দুর্বৃত্ত। দুই মাসে রাজধানীর সঙ্গে সারা দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল অবস্থায় আছে। মহাসড়কে চলন্ত গাড়িতে একের পর এক পেট্রোলবোমা হামলার কারণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে দূরপাল্লার যাত্রীদের মাঝে। অবরোধে আক্রান্ত হয়েছে অন্তত ২২০০ যানবাহন।

Monday, January 26, 2015

ক্ষমতার মোহ! ক্ষমতার স্বাদ!!

মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ গযব খালেদার উপর; হাজার হাজার নির্মমতার জন্মদাত্রী খালেদাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি বুঝিয়ে দিলেন ছেলেহারা স্বামীহারা স্বজনহারার বেদনা। সুবহানাল্লাহ!
এখন বাকি হাসিনা;
আমরা নিপীড়িতরা দেখতে থাকি।
++++++++++++=======++++++++
কোকোর মৃত্যুতে খালেদা কী কাঁদতে পারেন?
গোটা দেশবাসীকে কাঁদানোর দায়ে তিনি নিজে কী কাঁদার অধিকার রাখেন?
হাজার হাজার মায়ের বুক খালি হওয়ার আর্তনাদে যিনি কাঁদেননি-
অথচ আজ নিজ ছেলে হারানোর কান্নায় লীন হওয়া কী খালেদার স্বার্থপরের কান্না নয়?
তারপরও কোকোর মৃত্যুতে খালেদা কাঁদছেন।

Wednesday, January 14, 2015

হিন্দুরা জাতিগতভাবে জালিয়াত, উগ্র, সন্ত্রাসী ও সাম্প্রদায়িক



“কেহ চিৎকার করিতে লাগিল, “মার, মার নেড়ে মার।” কেহ গাহিল, “হরে মুরারে মধুকৈটভারে!” কেহ গাহিল, “বন্দে মাতরম।” কেহ বলে, “ভাই, এমন দিন কি হইবে, মসজিদ ভাঙ্গিয়া রাধামাধবের মন্দির গড়িব?” (আনন্দমঠ, তৃতীয় খ-, অষ্টম পরিচ্ছেদ)
‘আনন্দমঠ’কে বলা হয় হিন্দুদের পলিটিক্যাল ডকট্রিন। আজকের ভারতে যে উগ্র হিন্দুত্ববাদ, তার শেকড় নিহিত রয়েছে চরম মুসলিমবিদ্বেষী বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত ‘আনন্দমঠে’। সুতরাং এর মধ্যে যেই ‘মসজিদ ভাঙ্গিয়া রাধামাধবের মন্দির’ বানানোর উল্লেখ রয়েছে, তা মূলত গোটা হিন্দু সম্প্রদায়েরই জাতিগত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এর ধারাবাহিকতাতেই বাবরি মসজিদ ভেঙে সেখানে রামমন্দির তৈরি করার হীন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বর্তমানে বিজেপি’র উগ্র হিন্দুরা।

মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ সম্পর্কে লা-মাযহাবী, আহলে হাদীস দাবিদার ওহাবী সালাফী, তাবলীগী, দেওবন্দী, কওমী, জামাতী গুরুদের মতাদর্শ


সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদত শরীফ তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করা জিন-ইনসানসহ  গোটা কুল-কায়িনাতের জন্য ফরয তো বটেই; নাজাতেরও কারণ। কিন্তু আজকের তথাকথিত মালানা, মুফতী, মুহাদ্দিস, শাইখুল হাদীছরা ফতওয়া দেয় যে, “ঈদে মীলানদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা বিদায়াত এবং শরীয়তে দুই ঈদের বাইরে তৃতীয় কোনো ঈদ নেই। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক।”