পুঁথিগত শিক্ষা দ্বারা
কখনো পূর্ণাঙ্গ জ্ঞানার্জন হয় না। কেননা বই বা পুস্তক দেখে যদি শিক্ষার্জন করা যেতো
তাহলে মাদরাসা, মক্তব, স্কুল, কলেজ, মহাবিদ্যালয়,
ইউনিভার্সিটি ইত্যাদি বিদ্যাপীঠ
স্থাপনের প্রয়োজন হতো না। প্রত্যেক ছাত্ররাই লাইব্রেরী থেকে বই-পুস্তক ক্রয় করে পড়ালেখা
করতে পারতো। কিন্তু তাতো হয় না, লাইব্রেরী থেকে বই
ক্রয় করে নিয়মিত ক্লাসে যোগদানের ফলে ছাত্র তার উদিষ্ট লক্ষ্য অর্জনে সফলতার শীর্ষে
আরোহণ করে। শিক্ষকের তত্ত্বাবধানে পরিবেশ পরিস্থিতি অনুযায়ী অর্থাৎ স্বচক্ষে দেখে দেখে
জ্ঞার্নাজন করতে হয়।
পবিত্র হাদীছ শরীফ
উনার মধ্যে ইরশাদ মুবারক হয়েছে, “ছোহবত প্রতিক্রিয়াশীল।”
অর্থাৎ যে যার সাথে
উঠাবসা চলাফেরা ইত্যাদি করে সে তার আচরণ দ্বারা প্রভাবিত হয়। যেহেতু মহান আল্লাহ পাক
উনার ওলীগণ উনারা দায়িমীভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম উনার সংস্পর্শে প্রতিটি ক্ষণ কাটান। সেহেতু ওলীআল্লাহগণ নূরে মুজাসসাম
হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার মুবারক আচরণ দ্বারা প্রভাবিত
হন।
তাই ওলীআল্লাহগণ উনারা
পথহারা, বেদিশা মানুষকে উনাদের
কাছে রেখে ফয়েজ-তাওয়াজ্জুহ দান করে দায়িমীভাবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক
ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র বিলাদতী শান মুবারক প্রকাশ উনার আলোচনায়
বিভোর করে রাখেন। এরই প্রকৃষ্ট উদাহরণ হলো হিজরী ১৫ শতকের মহান মুজাদ্দিদ, রসূলে নোমা, মুজাদ্দিদে আ’যম, হযরত ইমামুল উমাম আলাইহিস সালাম তিনি।
তিনি পবিত্র সাইয়্যিদুল
আ’ইয়াদ শরীফ উনার উপলক্ষে আয়োজিত
ওয়াজ শরীফ, মীলাদ শরীফ উনার মাহফিলে
নছীহতকালে এক আলোচনা প্রসঙ্গে বলেন, “মহান আল্লাহ পাক তিনি যদি আমাকে সার্মথ্য দেন, তাহলে অনন্তকাল পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ শরীফ উনার উপলক্ষে মানুষকে বসিয়ে বসিয়ে খাওয়াবো
আর তাদের একমাত্র কাজ হবে নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়া সাল্লাম উনার ছানা-সিফত করা।” সুবহানাল্লাহ!
No comments:
Post a Comment