দুই মাসেরও বেশি সময় ধরে চলছে
বিএনপি’র নেতৃত্বাধীন
২০দলীয় জোট আহূত অনির্দিষ্টকালের অবরোধ। প্রতি সপ্তাহে দুই দফায় ৫ দিন করে পালিত হচ্ছে
হরতাল। ৫ই জানুয়ারি-২০১৫ শুরু হওয়া এ নাশকতার আন্দোলনে প্রতিদিনই ঘটছে সহিংস ঘটনা।
বিরোধী জোটের নাশকতার আন্দোলন কর্মসূচি ও সরকারের কঠোর অবস্থানের কারণে তৈরি হয়েছে
এক দমবদ্ধ পরিস্থিতি। জাতীয় জীবনের সর্বত্রই রক্তক্ষরণ। বিপর্যস্ত জনজীবন। প্রতিনিয়তই
ঘটছে প্রাণহানির ঘটনা। রাজপথে পুড়ে কয়লা হচ্ছে মানুষ। গণতান্ত্রিক দুর্বৃত্তদের পেট্রোলবোমার
আঘাতে এ পর্যন্ত মৃত্যু হয়েছে ৬৫ জনের। আহত হয়ে হাসপাতালের বিছানায় কাতরাচ্ছে অন্তত
১৪০০ জন নিরীহ মানুষ। অন্যদিকে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে ক্রসফায়ার ও বন্দুকযুদ্ধের
ঘটনায় মারা গেছে হরতাল-অবরোধকারী ৬০ দুর্বৃত্ত। দুই মাসে রাজধানীর সঙ্গে সারা দেশের
যোগাযোগ ব্যবস্থা কার্যত অচল অবস্থায় আছে। মহাসড়কে চলন্ত গাড়িতে একের পর এক পেট্রোলবোমা
হামলার কারণে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে দূরপাল্লার যাত্রীদের মাঝে। অবরোধে আক্রান্ত হয়েছে অন্তত
২২০০ যানবাহন।
Sunday, March 15, 2015
Monday, January 26, 2015
ক্ষমতার মোহ! ক্ষমতার স্বাদ!!
মহান আল্লাহ পাক উনার খাছ গযব খালেদার উপর; হাজার হাজার নির্মমতার জন্মদাত্রী খালেদাকে মহান আল্লাহ পাক তিনি বুঝিয়ে দিলেন ছেলেহারা স্বামীহারা স্বজনহারার বেদনা। সুবহানাল্লাহ!
এখন বাকি হাসিনা;
আমরা নিপীড়িতরা দেখতে থাকি।
এখন বাকি হাসিনা;
আমরা নিপীড়িতরা দেখতে থাকি।
++++++++++++=======++++++++
কোকোর মৃত্যুতে খালেদা কী কাঁদতে পারেন?
গোটা দেশবাসীকে কাঁদানোর দায়ে তিনি নিজে কী কাঁদার অধিকার রাখেন?
হাজার হাজার মায়ের বুক খালি হওয়ার আর্তনাদে যিনি কাঁদেননি-
অথচ আজ নিজ ছেলে হারানোর কান্নায় লীন হওয়া কী খালেদার স্বার্থপরের কান্না নয়?
তারপরও কোকোর মৃত্যুতে খালেদা কাঁদছেন।
গোটা দেশবাসীকে কাঁদানোর দায়ে তিনি নিজে কী কাঁদার অধিকার রাখেন?
হাজার হাজার মায়ের বুক খালি হওয়ার আর্তনাদে যিনি কাঁদেননি-
অথচ আজ নিজ ছেলে হারানোর কান্নায় লীন হওয়া কী খালেদার স্বার্থপরের কান্না নয়?
তারপরও কোকোর মৃত্যুতে খালেদা কাঁদছেন।
Wednesday, January 14, 2015
হিন্দুরা জাতিগতভাবে জালিয়াত, উগ্র, সন্ত্রাসী ও সাম্প্রদায়িক
“কেহ চিৎকার করিতে লাগিল, “মার, মার নেড়ে
মার।” কেহ গাহিল,
“হরে মুরারে মধুকৈটভারে!” কেহ গাহিল, “বন্দে মাতরম।” কেহ বলে, “ভাই, এমন দিন
কি হইবে, মসজিদ ভাঙ্গিয়া রাধামাধবের মন্দির গড়িব?” (আনন্দমঠ, তৃতীয় খ-, অষ্টম পরিচ্ছেদ)
‘আনন্দমঠ’কে বলা হয় হিন্দুদের পলিটিক্যাল ডকট্রিন। আজকের ভারতে যে উগ্র
হিন্দুত্ববাদ, তার শেকড় নিহিত রয়েছে চরম মুসলিমবিদ্বেষী বঙ্কিমচন্দ্রের রচিত
‘আনন্দমঠে’। সুতরাং এর মধ্যে যেই ‘মসজিদ ভাঙ্গিয়া রাধামাধবের
মন্দির’ বানানোর উল্লেখ রয়েছে,
তা মূলত গোটা হিন্দু সম্প্রদায়েরই
জাতিগত লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। এর ধারাবাহিকতাতেই বাবরি মসজিদ ভেঙে সেখানে রামমন্দির তৈরি
করার হীন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে বর্তমানে বিজেপি’র উগ্র হিন্দুরা।
মহাপবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ সম্পর্কে লা-মাযহাবী, আহলে হাদীস দাবিদার ওহাবী সালাফী, তাবলীগী, দেওবন্দী, কওমী, জামাতী গুরুদের মতাদর্শ
সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন, নূরে মুজাসসাম হাবীবুল্লাহ হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার পবিত্র
বিলাদত শরীফ তথা পবিত্র সাইয়্যিদুল আ’ইয়াদ পালন করা জিন-ইনসানসহ
গোটা কুল-কায়িনাতের জন্য ফরয তো বটেই; নাজাতেরও কারণ। কিন্তু আজকের তথাকথিত মালানা, মুফতী, মুহাদ্দিস, শাইখুল হাদীছরা ফতওয়া দেয় যে, “ঈদে মীলানদুন নবী ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পালন করা বিদায়াত এবং শরীয়তে
দুই ঈদের বাইরে তৃতীয় কোনো ঈদ নেই। নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক।”
Saturday, January 10, 2015
বিলাদতে নূরে হাবীবী
শাহী মুবারকবাদ, হে শাহরুল আ’যম!
নূরে হাবীবী উনার বিলাদতে শ্রেষ্ঠ চরম।
পবিত্র ১২ই রবীউল আউওয়াল শরীফ
নূরে হাবীব যমীনে এনেছেন তাশরীফ।
সৃষ্টিকুলে নূরে হাবীব যেমন অতুলনীয়
দিনের মাঝে সোমবার তেমনি মোহনীয়।
সুবহে সাদিকে সিজদাবনত অবস্থায়
নূরে হাবীব আগমন করেন ধরায়।
Thursday, January 8, 2015
ভ্রান্ত মতবাদের প্রচারকারী তাবলীগীদের অন্তর্দ্বন্দ্ব চরমে ॥ তাবলীগ নেতা ওয়াসিফুলের দুর্নীতি ও অবৈধ অর্থ উপার্জন সম্পর্কে তাবলীগের অপর গ্রুপের সংবাদ সম্মেলন
ভ্রান্ত মতবাদের অনুসারী ও প্রচারকারী বাংলাদেশ তাবলীগ জামাতের নেতা ওয়াসিফুল ইসলামের
বিরুদ্ধে দুর্নীতি, অবৈধ অর্থ
উপার্জন, তাবলীগকে
রাজনৈতিকীকরণ ও সন্ত্রাসী কার্যকলাপের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের
শিক্ষক ও তাবলীগ নেতা এম মুশফিকুর রহমান চৌধুরীর সমর্থিত তাবলীগ জামাতের সাথীরা। ৮
জানুয়ারি-২০১৫ বৃহস্পতিবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবের তৃতীয় তলায় হল রুমে সংবাদ সম্মেলনে
লিখিত বক্তব্য দেয় তাবলীগ নেতা আহমেদ ফজলে আকবর। তাবলীগ নেতা, সাথী ও কর্মীদের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলো রাকিবুল হাসান, আবু সাইদ লতিফুল আলম, মামুন-উর রশিদ, নারায়ণগঞ্জের হাসান হাবিব প্রমুখ।
Tuesday, January 6, 2015
খইরু খলক্বিল্লাহ, খইরুল বারিয়্যাহ, খইরুল আলামীন, হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উনার সম্মানিত আব্বাজান আলাইহিস সালাম উনার দিক থেকে সম্মানিত নসবনামা মুবারক ও উনাদের মর্যাদা
মহান আল্লাহ পাক তিনি ইরশাদ মুবারক করেন, الله اعلم حيث يحعل رسلته
অর্থ: মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বাধিক জ্ঞাত আছেন রিসালত কাকে দেয়া আবশ্যক।” (পবিত্র সূরা আনয়াম শরীফ: পবিত্র আয়াত শরীফ ১২৪)
পবিত্র নুবুওওয়াত ও রিসালত সাধনালব্ধ কোনো বিষয় নয়। “এটা মহান আল্লাহ পাক উনার একান্ত ফজল ও করম। তিনি যাঁকে ইচ্ছা তাঁকে তা দান করেন।”
আখিরী রসূল, সাইয়্যিদুল মুরসালীন, ইমামুল মুরসালীন হুযূর পাক ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনি সকল নবী-রসূল আলাইহিমুস সালামগণ উনাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। তিনি শুধু মহান আল্লাহ পাক তিনি নন। এছাড়া যত মর্যাদা-মর্তবা রয়েছে, সকল মর্যাদা-মর্তবার অধিকারী তিনি।
উনার পবিত্র অজুদ বা নূর মুবারকই সর্বপ্রথম সৃষ্টি। তিনি ইরশাদ মুবারক করেন,
اول ما خلق الله نورى
অর্থ: “মহান আল্লাহ পাক তিনি সর্বপ্রথম আমার নূর মুবারক সৃষ্টি করেন।”
তবে তিনি সর্বশেষে দুনিয়াতে তাশরীফ মুবারক এনেছেন।